We have not detected your mobile number. This may happen when you are using WIFI connection.

৭ মাস বয়সী, ২ সপ্তাহ

৭ মাস বয়সী, দ্বিতীয় সপ্তাহ

কিভাবে আপনার শিশু বেড়ে উঠছে

এখন পর্যন্ত, আপনি ইতোমধ্যেই আপনার শিশুকে বলেছেন যে টেলিফোনটি খেলনা নয়, তার ঝুমঝুমিগুল নিক্ষেপ করার বন্তু নয়, অথবা তার বোনের চুলগুলো টানার জন্য নয়। এই বয়সে শিশু আপনার নির্দেশাবলী অনুসরণ করতে অস্বীকার করতে পারে এবং আপনার শাসন পরীক্ষা করতে পারে। সে অবাধ্য বা ইচ্ছাকৃত এটি করছে না, সে শুধু এই নিয়ে আগ্রহী।

মনে রাখবেন যে, আপনি কয়েক সেকেন্ড ধরে কোন কিছু করতে নিষেধ করলে বা আদেশ করলে সে তা মনে রাখতে পারে না। সর্বোত্তম কৌশল হল তাকে “না” বলে কোন বিষয় থেকে মনোযোগ নষ্ট করা।

কিভাবে আপনার জীবন পরিবর্তিত হচ্ছে

দিনরাত ২৪ ঘণ্টা শিশুর দায়িত্বে থাকা এবং কাজ থেকে শিশুর কাছে ফেরা অনেক শ্রমসাধ্য। শিশুর প্রথম বছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত কিছু মনে রাখার বিষয় রয়েছে তা হলঃ

সর্বদা সুস্থ থাকুন। পুষ্টিকর খাবার গ্রহণে কার্পণ্য করবেন না যদি গর্ভাবস্থার ওজনও হারিয়ে থাকেন। ক্যাফেইন ও এলকোহল এড়িয়ে চলুন। এগুলো ক্ষণিকের জন্য উত্তেজনাপূর্ণ ও শান্ত প্রভাব দেয় কিন্তু পরে তার প্রভাব আরও খারাপ। সপ্তাহে কয়েকবার মাঝারি ব্যায়াম করুন, এমনকি কাজ থেকে সামান্য দূরে গাড়ি পার্কিং করতে পারেন। যতটা সম্ভব ঘুমাতে চেষ্টা করুন। বাইরে বেরিয়ে যান। হাঁটতে যান এবং বাইরের খোলা বাতাস অনুভব করুন। আপনার শিশু এখনও অনেক ছোট তাই সে বড় না হওয়া পর্যন্ত আপনার সুবিধা। নিজেকে সময় দিন। অঙ্গমর্দন, মুখের ফেসিয়াল, মেনিকিউর ইত্যাদি করতে পারেন যা আপনাকে অসাধারণ করে তুলবে। একটি চমৎকার দীর্ঘ স্নানও অনেক উপকারী। শিশুকে দেখাশোনার ব্যবস্থায় রাখতে পারলে যোগব্যায়াম, গভীর শ্বাস বা অন্যান্য আরামের ব্যায়ামগুলো করতে পারেন।

কর্মজীবী মায়ের অপরাধ বোধ

আপনি একজন ব্যস্ত কর্মজীবী মা হলে, শিশুর সাথে পর্যাপ্ত সময় না কাটালে আপনার অপরাধ বোধ হতে পারে, বিশেষ করে যদি শিশু জন্মের অল্প কয়েকদিন পরেই কাজে ফিরে যেতে হয়। ঘর ও কাজের মাঝে ভারসাম্য বজায় রাখতে চেষ্টা করুন।