We have not detected your mobile number. This may happen when you are using WIFI connection.

৬ মাস বয়সী, ৪ সপ্তাহ

৬ মাস বয়সী, চতুর্থ সপ্তাহ

কিভাবে আপনার শিশু বেড়ে উঠছে

এই বয়সে, শিশুরা ছোট বড় সব খেলনা প্রাণীদের প্রতি আকৃষ্ট হয়। এমনকি একটি আপনার শিশুর নিরাপত্তার বস্তু হয়ে উঠতে পারে। যদি এমন হয় তাহলে এটি আপনাকেও সময় দিবে। চিন্তা করবেন না, আপনার শিশুকে আলাদা করে তার মত খেলতে স্বাধীনতা অর্জন করতে সাহায্য করবে যেন সে নিজের উপর ধীরে ধীরে নির্ভরশীল হতে পারে। দেখতে ও ছুঁতে নরম এবং ভাল সেলায়ের খেলনাগুলো সন্ধান করুন। যদি খেলনার মধ্যে কিছু তার প্রিয় হয়ে উঠে তাহলে আলাদা আরও কয়েকটা কিনে রাখতে পারেন। যখন একটি ধৌত করবেন তখন আরেকটি সে নিজের কাছে রাখতে পারবে। এর মানে তা হারিয়ে গেলেও আপনার কাছে অতিরিক্ত একটা রয়ে যাবে।

কিভাবে আপনার জীবন পরিবর্তিত হচ্ছে

নতুন দাদা-দাদিরা সত্যিই শিশুর ভাল চায়। হইত তাঁরা মাঝে মাঝে বেশি কিছু বলে ফেলে শিশুর যত্নের ব্যাপারে। আপনার শ্বশুর-শাশুড়ি আপনার মাতৃত্ব বা শিশুকে যত্নের ব্যাপারে প্রশ্ন তুলতে পারে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে আপনাকে প্রভাবিত করতে চায়, কিন্তু এতে আপনার আত্মরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া দেখানো অনুচিত। আপনার নিজের দক্ষতার উপর বিশ্বাস রাখুন এতে অপরের অবাঞ্ছিত মতামত যাচাই করতে সহজ হবে। তাঁদের অনেক বছরের অভিজ্ঞতা থাকলেও শুধু আপনিই এই শিশুর মা, আপনার দায়িত্বই প্রধান যা আপনি তাঁদেরকে মনে করিয়ে দিতে পারেন।

শিশুর প্রথম ও তার পরবর্তী খাবার

কিছু মা-বাবা শিশুকে সকালে ফল এবং সন্ধ্যায় কোন সিরিয়াল/খাদ্যশস্য খেতে দেয়। আপনি তাকে ভাপে সিদ্ধ করা আপেল, কলা, পেঁপে বা খরমুজ খেতে দেওয়া শুরু করতে পারেন। অনেক শিশু টকজাতীয় খাবার খেতে চায় না তাই আপনি তাকে হালকা করা কমলার রস দিতে পারেন।

ধীরে ধীরে শিশুকে খেতে দেওয়া খাবারের পরিমান বাড়িয়ে দিন। সবসময় নতুন জাতের কোন খাবার দিতে ভুলবেন না এবং কিছুদিন পর্যবেক্ষণ করুন শিশুর প্রতিক্রিয়া।

যদি তাকে সিরিয়াল খাওয়াতে চান তাহলে তাকে খিচুড়ি বানিয়ে খাওয়াতে পারেন যেখানে ডালের চেয়ে ভাতের পরিমাণ বেশি থাকবে। একটু আধা তরল হলে আপনার শিশুর গিলতে সুবিধা হবে। এটিকে শিশুর কাছে আরও আকর্ষণীয় করতে স্যুপ জাতীয় বা চাল ভিত্তিক কোন সম্পূরক খাবার যোগ করতে পারেন।

যাইহোক, আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলুন- প্রত্যেক শিশু ও তাদের প্রয়োজন ভিন্ন এবং ভারী খাবারগুলো তাকে ধীরেসুস্থে খেতে দিন।